তিস্তা নদীর ভাঙ্গনে কুড়িগ্রাম জেলা রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন মানুষ হারাচ্ছে তাদের সর্বস্ব

সাভার প্রতিনিধি মোঃ শাহীন আলম স্বাধীন:

খরস্রোতা তিস্তার তীব্র ভাঙনে গত ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে কয়েক টি ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। এবং বগুড়া পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সহ রাস্তা ও অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘর ও ফসলি জমি নদী ঘর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংক্ষা রয়েছে। ভাঙন রোধে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা পরিদর্শন করে এলাকাটি।স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙন রোধে কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য পূর্বে থেকেই পাউবো‘র প্রকৌশলীরা কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

No description available.

এদিকে, সর্বস্ব হারিয়ে ভাঙন কবলিত পরিবারের মানুষজন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি করছে।ঘর-বাড়ী হারা সর্বশান্ত মানুষের আহাজারীতে এলাকার বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠছে।এছাড়াও গত কয়েক দিনের ব্যবধানে নাখেন্দা,মন্ডল পাড়া,ডাবুর বাজার,বগুড়াপারা,খিতাব-খা,বড়দরগা,বুড়িরহাট,সহ এলাকার প্রায় দেড় শতাধিক বসত-বাড়ী ও আবাদী জমি-সহ বিভিন্ন স্থাপনা নদী গর্ভে চলে গেছে। বুধবার বিকেলে রাজারহাট উপজেলার চর গতিয়াশাম এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে,গতিয়াশাম গ্রামের বগুড়াপাড়া এলাকার মোঃ আব্দুল খালেক খা, ও ইয়াকুব আলী,মোন্নাফ আলী,মানিক মিয়ার ঘরবাড়ী নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। এবং যে ভাবে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে দু এক দিনের মধ্যে বগুড়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক টি নদীগর্ভে যাওয়ার আশংক্ষা রয়েছে।এলাকায় তিস্তা নদীতে আকস্মিক ভাঙন শুরু হওয়ায় বর্তমানে নাখেন্দা গ্রামের সাথে বগুড়াপাড়া এলকার সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

No description available.

চর গতিয়াশাম গ্রামের ছুমিরউদ্দিন,ছাত্তার,বুরহান,মিনহাজুল,বাবলু,আছরদ্দিন,ইরাজ আলী সহ শতাধিক বাড়ীঘর নদীর কিনারায় ভাঙনের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও চর গতিয়াশাম এলাকার পার্শ্ববর্তি লালমনিরহাট জেলার চর গুকুন্ডা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ও মসজিদ সহ সরকারী বেসরকারী কয়েকটি পাকা অবকাঠামো ও বিশাল জনবসতি পূর্ন এলাকা ও আবাদি জমি নদীর তীব্র ভাঙ্গনে চরম হুমকির মুখে রয়েছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলামের সাথে গ্লোবাল নিউজ ২৪ বিডি সাভার প্রতিনিধি মোঃ শাহীন আলম স্বাধীনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, জেলার ১‘শ টি এলাকায় ভাঙনরোধে জরূরী কার্যক্রম চলছে। এনিয়ে ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, ভাঙ্গন-রোধে পানিউন্নয়ন বোর্ড-পাউবোর সাথে অনেক বার আলোচনা করেছি তারা জিওব্যাগের আশ্বাসবাণী দিলেও কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.